জামায়াতে ইসলামী ইউরোপের মুখপাত্র আবু বকর মোল্লার সাথে মানবাধিকার কর্মী প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ

0
100
নিজস্ব প্রতিবেদক
উদিয়মান মানবাধিকার কর্মী ও সোস্যাল মিডিয়া এ্যাক্টিভিস্টদের একটি প্রতিনিধি দল গতকাল শুক্রবার সন্ধায় ক্যানারিওয়ার্ফের নিজস্ব অফিসে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ইউরোপের মুখপাত্র আবু বকর মোল্লার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। এ সময় তাঁরা বাংলাদেশের সার্বিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের অ-গনতান্ত্রিক আচরন, বিচার ব্যাবস্থার বিশৃঙ্খলা ও সরকারের নগ্ন হস্তক্ষেপ, সাম্প্রতিক সময়ে সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃক ৭ মাইল, ৩ মাইল ও দেড় মাইল দূর থেকে দেখা সাক্ষীর ভিত্তিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল জনাব এটিএম আজহারুল ইসলামের ফাঁসীর রায় এবং বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক দেশে ও বিদেশে অবস্থানরত সকল অনলাইন এ্যাক্টিভিস্ট ও মানবাধিকার কর্মীদের উপর গোয়েন্দা নজরদারীর আওতায় আনা ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা করেন।
সাক্ষাৎ শেষে প্রতিনিধি দল বাইরে বেরিয়ে এসে এ তথ্য জানান। বিশিষ্ট মানবাধিকার কর্মী ও অনলাইন এ্যাক্টিভিস্ট মো: তরিকুল ইসলাম এবং সাবেক ছাএনেতা ও বিশিষ্ট মানবাধিকার কর্মী মোহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম ভূঁইয়ার যৌথ নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলে ছিলেন মো: মাহিন খান, মো: বশির আহমেদ, মো: বেলাল হোসেন মোল্লা, এবং আব্দুর রহমান খোকন।
সাক্ষাতে জামায়াতের ইউরোপের মুখপাত্র বলেন, বাংলাদেশ একটি অগনতান্ত্রিক সরকার ব্যাবস্থা প্রতিষ্ঠিত আছে, তারা ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য দেশের ভিতরে পুলিশ ও দলীয় সন্ত্রাসীদের দিয়ে খুন-গুমের পাশাপাশি সাম্প্রতিক সময়ে বিদেশে অবস্থানরত সকল বিরোধী মতের অনলাইন এ্যাক্টিভিস্ট ও মানবাধিকার কর্মীদের উপরেও গোয়েন্দা নজরদারী চালাচ্ছে, যা তাদের নিরাপত্তাকে মারাত্মক হুমকির সম্মুখিন করেছে, তিনি বাংলাদেশ সরকারের এমন কর্মকান্ডের নিন্দা জানান। এছাড়া তাদেরই নিয়োগ দেয়া প্রশাসন ও বিচারকদের দ্বারা আইন ও আদালতের সব কিছু নিয়ন্ত্রিত ও পরিচালিত হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল জনাব এটিএম আজহারুল ইসলামের ফাঁসীর রায়ের বিরুদ্ধে আইনী লড়াই অব্যাহত থাকবে।
প্রতিনিধি দল গনতন্ত্র, ন্যায় বিচার, দেশে ও বিদেশে অবস্থানরত মানবাধিকার বিষয়ে কাজ করা অনলাইন ও অফলাইনে সক্রিয় সকল ব্যাক্তিবর্গের ব্যাক্তিগত ও পারিবারিক নিরাপত্তা এবং বাংলাদেশের সার্বিক  নিরাপত্তার স্বার্থে সকল রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহনে আলোচনা অনুষ্ঠান ও সকল রাজনৈতিক দলের অংশ গ্রহনের মাধ্যমে একটি অবাধ-নিরপেক্ষ নির্বাচনের মধ্যদিয়ে এ পরিস্থিতির অবসান ঘটানোর ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

Comments

comments